চট্টগ্রামে প্রার্থী যাচাই–বাছাই শেষে আটটি সংসদীয় আসনে মোট ২২ জন প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল ঘোষণা করা হয়েছে। ঋণ খেলাপি হওয়া, ১ শতাংশ ভোটারের সমর্থনসংক্রান্ত তথ্য জমা না দেওয়া, দাখিলকৃত তথ্যে গড়মিল, সমর্থনকারীদের স্বাক্ষর না থাকাসহ বিভিন্ন কারণে এসব প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল করা হয়।
চট্টগ্রাম-১ আসনে মনোনয়ন দাখিল করেন ১০ জন প্রার্থী। এর মধ্যে ৩ জনের মনোনয়ন বাতিল ঘোষণা করা হয়েছে। বাতিল হওয়া প্রার্থীরা হলেন,বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের শাহীদুল ইসলাম চৌধুরী, জাতীয় পার্টির মোহাম্মদ এরশাদ উল্যা এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী মোহাম্মদ আশরাফ সিদ্দিকি।
চট্টগ্রাম-২ আসনে ৯ জন প্রার্থীর মধ্যে ৪ জনের মনোনয়ন বাতিল করা হয়েছে। তারা হলেন স্বতন্ত্র প্রার্থী আহমদ কবির, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের এইচ এম আশরাফ বিন ইয়াকুব, স্বতন্ত্র জিন্নাত আকতার এবং গণঅধিকার পরিষদের রবিউল হাসান।
চট্টগ্রাম-৩ আসনে ৫ জন প্রার্থীর মধ্যে ৩ জনের মনোনয়ন বাতিল ঘোষণা করা হয়। বাতিল হওয়া প্রার্থীরা হলেন জাতীয় পার্টির এম এ সালাম, স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. মোয়াহেদুল মওলা এবং ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মোহাম্মদ আমজাদ হোসেন।
চট্টগ্রাম-৪ আসনে দাখিল করা ১০ প্রার্থীর মধ্যে একজনের মনোনয়ন বাতিল করা হয়েছে। ১ শতাংশ ভোটারের সমর্থন সঠিকভাবে প্রতীয়মান না হওয়ায় স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. নুরুর রশিদের মনোনয়ন বাতিল ঘোষণা করা হয়।
চট্টগ্রাম-৫ আসনে ১০ জন প্রার্থীর মধ্যে ৪ জনের মনোনয়ন বাতিল করা হয়েছে। তারা হলেন,জাতীয় পার্টির আনিসুল ইসলাম মাহমুদ, স্বতন্ত্র প্রার্থী এস. এম. ফজলুল হক, স্বতন্ত্র শাকিলা ফারজানা এবং মোহাম্মদ ইমাম উদ্দিন রিয়াদ।
চট্টগ্রাম-৬ আসনে আসনে মনোনয়ন দাখিল করা ৫ জন প্রার্থীর মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে।
চট্টগ্রাম-৭ আসনে ৯ জন প্রার্থীর মধ্যে ৩ জনের মনোনয়ন বাতিল করা হয়েছে। বাতিল হওয়া প্রার্থীরা হলেনআমার বাংলাদেশ পার্টি (এবি পার্টি)’র মো. আবদুর রহমান, গণঅধিকার পরিষদের মো. বেলাল উদ্দিন এবং বাংলাদেশ কমিউনিস্ট পার্টির প্রার্থী প্রমোদ বরন বড়ুয়া।
চট্টগ্রাম-১২ আসনে ১১ জন প্রার্থী মনোনয়ন দাখিল করেন। এর মধ্যে ৪ জনের মনোনয়ন বাতিল ঘোষণা করা হয়েছে। তারা হলেন,জাতীয় পার্টির সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী, স্বতন্ত্র প্রার্থী ছৈয়দ সাদাত আহমেদ ও স্বতন্ত্র প্রার্থী মুহাম্মদ শাখাওয়াত হোসাইন।
বাতিল হওয়া প্রার্থীরা আইন অনুযায়ী নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আপিল করতে পারবেন। আপিল নিষ্পত্তির পর চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করবে নির্বাচন কমিশন। প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ তারিখ ২০ জানুয়ারি, প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হবে ২১ জানুয়ারি এবং ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি।









