চট্টগ্রামে জিএম আইটির উদ্যোগে আইটি কনফারেন্স ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে বিভিন্ন স্কুল-কলেজের চার শতাধিক শিক্ষার্থী, আইটি প্রশিক্ষণার্থী এবং ফ্রিল্যান্সিং পেশায় যুক্ত ব্যক্তিরা অংশ নেন।
জিএম আইটি থেকে প্রশিক্ষণ সম্পন্ন করে ফ্রিল্যান্সিং খাতে আয় করছেন—এমন ব্যক্তিদের অভিজ্ঞতা তুলে ধরা এবং তরুণদের তথ্যপ্রযুক্তিতে দক্ষ করে তোলার লক্ষ্যে এ আয়োজন করা হয়।
শনিবার চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের জুলাই বিপ্লব হলে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের সভাপতি ও আমার দেশ পত্রিকার আবাসিক সম্পাদক জাহেদুল করিম কচি। প্রধান বক্তা ছিলেন সিস্টেম গ্রুপের চেয়ারম্যান ফজলুল আজিম। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন জিএম আইটির চেয়ারম্যান মো. কামরুল কায়েস চৌধুরী। উদ্বোধক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের সেক্রেটারি গোলাম মাওলা মুরাদ।
বিশেষ অতিথি ছিলেন ৭১ টেলিভিশনের চট্টগ্রাম ব্যুরোপ্রধান সাইফুল ইসলাম শিল্পী। এ ছাড়া উপস্থিত ছিলেন পিস ইন্টারন্যাশনাল হিউম্যান রাইটসের সিনিয়র সহসভাপতি হেলাল উদ্দিন সিকদার, বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মোহাম্মদ তৌফিক উদ্দিন, চট্টগ্রাম মহানগর দায়রা জজ আদালতের এসপি মোহাম্মদ আল্লাহয়াতুল্লাহ, সোনালী কণ্ঠের ব্যুরোপ্রধান প্রণয় দে এবং খবর প্রতিদিনের সম্পাদকসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার বিশিষ্ট ব্যক্তিরা।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে জাহেদুল করিম কচি বলেন, তথ্যপ্রযুক্তি খাতে চট্টগ্রাম এখনো অনেক পিছিয়ে রয়েছে। এ অবস্থায় চট্টগ্রামকে কেন্দ্র করে জিএম আইটির এমন উদ্যোগ সত্যিই প্রশংসনীয়। এ ধরনের উদ্যোগ তরুণদের দক্ষতা উন্নয়ন এবং তথ্যপ্রযুক্তি খাতে এগিয়ে যেতে সহায়তা করবে।
প্রধান বক্তা ফজলুল আজিম বলেন, তথ্যপ্রযুক্তি খাতে চট্টগ্রামকে এগিয়ে নিতে তিনি জিএম আইটির সঙ্গে একযোগে কাজ করবেন। এ খাতে তরুণদের দক্ষতা বৃদ্ধি এবং কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরিতে সম্মিলিত উদ্যোগের ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।
সভাপতির বক্তব্যে জিএম আইটির চেয়ারম্যান মো. কামরুল কায়েস চৌধুরী বলেন, দেশে কেউ দক্ষ হলে তাঁর বেকার থাকার কথা নয়। তাই শুধু সার্টিফিকেট অর্জনের পেছনে না ছুটে বাস্তব দক্ষতা অর্জনে মনোযোগী হতে হবে। দক্ষতা অর্জনের পাশাপাশি পরিশ্রমের মাধ্যমে তরুণেরা নিজেদের কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করতে পারবেন।
অনুষ্ঠানে অন্যান্য বক্তারাও তথ্যপ্রযুক্তির প্রসার, দক্ষ জনশক্তি তৈরি এবং ফ্রিল্যান্সিংয়ের মাধ্যমে তরুণদের স্বাবলম্বী হওয়ার বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন। পরে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে আয়োজনটি শেষ হয়।
