কক্সবাজারের রামুতে ৫৪ হাজার ইয়াবাসহ মোহাম্মদ আলী মুন্না শিকদার (২৭) নামে আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের (এপিবিএন) এক সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে বিজিবি। এ সময় তার কাছ থেকে একটি মোটরসাইকেল, দুটি আইফোন ও নগদ ৫০ হাজার ৯৯০ টাকা জব্দ করা হয়।
গত রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৩টার দিকে রামুর মরিচ্যা যৌথ চেকপোস্ট এলাকায় আরাকান সড়কে সন্দেহজনক একটি মোটরসাইকেল থামিয়ে তল্লাশি চালায় বিজিবি। এ সময় মোটরসাইকেলটির চালক মুন্না শিকদারকে আটক করা হয়। পরে জিজ্ঞাসাবাদে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে মোটরসাইকেলের গোপন একটি বাক্স থেকে বিশেষভাবে প্যাকেটজাত ৫৪ হাজার ইয়াবা উদ্ধার করা হয়।
এ ঘটনায় ৩০ বিজিবির নায়েক সুবেদার মোহাম্মদ আরিফুর রহমান বাদী হয়ে রামু থানায় মামলা করেন। তবে মামলার এজাহারে গ্রেপ্তার ব্যক্তি এপিবিএনের সদস্য—এ তথ্য উল্লেখ করা হয়নি।
মামলার বাদী মোহাম্মদ আরিফুর রহমান বলেন, গ্রেপ্তার ব্যক্তি এপিবিএনের সদস্য কি না, সে বিষয়ে তিনি নিশ্চিত ছিলেন না। আটকের সময় পাওয়া নাম-পরিচয়ের ভিত্তিতে তাকে হেফাজতে নিয়ে রামু থানায় সোপর্দ করা হয়েছে।
রামু থানার ওসি ফজলুল হকও বলেন, বিজিবির দেওয়া এজাহারের ভিত্তিতে আসামিকে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। তিনি এপিবিএনের সদস্য কি না, সে বিষয়েও তিনি নিশ্চিত নন।
তবে ১৬ এপিবিএনের অধিনায়ক অতিরিক্ত ডিআইজি মোহাম্মদ কাউসার সিদ্দিকী নিশ্চিত করেছেন, মুন্না এপিবিএনের সদস্য। তিনি জানান, মুন্না ২১ দিনের ছুটিতে ছিলেন। এর মধ্যে তাকে ১৬ এপিবিএন থেকে ঢাকায় বদলি করা হয়। তবে নতুন কর্মস্থলে এখনো যোগ দেননি।
অতিরিক্ত ডিআইজি কাউসার সিদ্দিকী বলেন, ছুটিতে থাকা অবস্থায়ই মুন্না এ ধরনের অপরাধে জড়িয়েছেন।
এদিকে, একজন পুলিশ সদস্যের কাছ থেকে একসঙ্গে ৫৪ হাজার ইয়াবা উদ্ধারের পরও মামলার এজাহারে তার এপিবিএন সদস্য পরিচয় উল্লেখ না করা এবং গ্রেপ্তারের চার দিন পর বিষয়টি প্রকাশ্যে আসায় ঘটনাটি নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
