মিরসরাই এসোসিয়েশন-চট্টগ্রামের উদ্যোগে বার্ষিক পুনর্মিলনী ও সংবর্ধনা অনুষ্ঠান-২০২৬ অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার (১৪ আগস্ট) চট্টগ্রামের জিইসি কনভেনশন সেন্টারে দিনব্যাপী এ আয়োজন অনুষ্ঠিত হয়।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের সভাপতি মো. মাহফুজুল হক মনি। প্রধান অতিথি ছিলেন মিরসরাই থেকে নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য নুরুল আমিন এবং বিশেষ অতিথি ছিলেন সংরক্ষিত মহিলা আসন-৪৩-এর সংসদ সদস্য শামসুন্নাহার বেগম। অনুষ্ঠানের আহ্বায়ক ছিলেন ইঞ্জিনিয়ার খায়রুল মোস্তফা।
সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক তৌহিদ উদ দৌজা ও সদস্য সচিব ইঞ্জিনিয়ার হামিদুল হকের যৌথ সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে নুরুল আমিন এমপি বলেন, ‘মিরসরাই এসোসিয়েশন মিরসরাইবাসীর প্রাণের সংগঠন।’ দল-মত ও রাজনৈতিক বিভাজনের ঊর্ধ্বে উঠে মিরসরাইবাসীর কল্যাণে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।
তিনি বলেন, পারস্পরিক সহযোগিতা ও ঐক্যের মাধ্যমে মিরসরাইয়ের শিক্ষা, সামাজিক উন্নয়ন ও মানবিক কার্যক্রমকে আরও এগিয়ে নেওয়া সম্ভব।
বিশেষ অতিথি শামসুন্নাহার বেগম এমপি এসোসিয়েশনের বিভিন্ন সামাজিক ও জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডের প্রশংসা করেন। ভবিষ্যতে মিরসরাইবাসীর কল্যাণে সংগঠনের কার্যক্রম আরও বিস্তৃত হবে বলে প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন তিনি।
অনুষ্ঠানে এসোসিয়েশনের উপদেষ্টা মণ্ডলীর সদস্য, কার্যনির্বাহী পরিষদের সদস্য, দাতা ও পৃষ্ঠপোষক সদস্যসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার প্রতিনিধিরা বক্তব্য দেন। এ সময় নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য নুরুল আমিন ও শামসুন্নাহার বেগমকে সংবর্ধনা ও সম্মাননা ক্রেস্ট দেওয়া হয়। পাশাপাশি নবাগত দাতা ও পৃষ্ঠপোষক সদস্যদেরও সংবর্ধনা দেওয়া হয়।
অনুষ্ঠানের আহ্বায়ক ইঞ্জিনিয়ার খায়রুল মোস্তফা আয়োজন সফল করতে সহযোগিতাকারী সবাইকে ধন্যবাদ জানান। সমাপনী বক্তব্যে সংগঠনের সভাপতি মো. মাহফুজুল হক মনি সদস্য, অতিথি, দাতা ও পৃষ্ঠপোষকদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তিনি সংগঠনের ঐক্য ও ধারাবাহিক কার্যক্রমের মাধ্যমে মিরসরাইবাসীর পাশে থাকার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
পুনর্মিলনী উপলক্ষে মিরসরাইয়ের ঐতিহ্যবাহী চট্টগ্রামের বিখ্যাত মেজবানের আয়োজন করা হয়। পাশাপাশি ছিল মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। এতে ক্লোজআপ ওয়ানের জনপ্রিয় শিল্পী সাব্বিরসহ অন্যান্য শিল্পীরা সংগীত পরিবেশন করেন।
অনুষ্ঠানে মিরসরাই এসোসিয়েশন-চট্টগ্রামের কয়েক হাজার সদস্য ও তাদের পরিবারের সদস্যরা অংশ নেন। উৎসবমুখর পরিবেশে পারস্পরিক সৌহার্দ্য, সম্প্রীতি ও আনন্দের মধ্য দিয়ে রাত দেড়টার দিকে অনুষ্ঠান শেষ হয়।
