চট্টগ্রামের রাউজান উপজেলার চৌমুহনী বাজারে যুবদল নেতা মাসুদুল হক চৌধুরী হত্যা মামলার আরও দুই আসামিকে অস্ত্রসহ গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এ নিয়ে এ মামলায় পুলিশ ও র্যাবের হাতে মোট ছয় আসামি গ্রেপ্তার হয়েছেন।
সোমবার (৩ আগস্ট) চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ এ তথ্য জানায়। পুলিশের ভাষ্য, রোববার রাতে সীতাকুণ্ড উপজেলার শীতলপুর এলাকা থেকে দিদার আলম (৩০) ও আফসার মিয়া (৩০) নামে দুই আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাদের দুজনের বাড়ি রাউজান উপজেলার পূর্ব রাউজান গ্রামে।
পুলিশ জানায়, গ্রেপ্তার দিদার ও আফসার চট্টগ্রামের শীর্ষ সন্ত্রাসী রায়হান আলমের ঘনিষ্ঠ সহযোগী। যুবদল নেতা মাসুদুল হককে হত্যার ভিডিও ফুটেজে তাদের অস্ত্র হাতে গুলি ছুড়তে দেখা গেছে। তাদের কাছ থেকে একটি বিদেশি পিস্তল ও দুই রাউন্ড গুলি জব্দ করা হয়েছে।
চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ সুপার মাসুদ আলম বলেন, দিদার ও আফসার সরাসরি হত্যাকাণ্ডে অংশ নিয়েছিলেন। দিদারের বিরুদ্ধে ১৩টি এবং আফসারের বিরুদ্ধে ৮টি মামলা রয়েছে।
এর আগে র্যাব জানিয়েছিল, প্রধান আসামি রায়হান আলমসহ এ মামলার আসামিরা বিদেশে পলাতক শীর্ষ সন্ত্রাসী সাজ্জাদ আলী খান ওরফে বড় সাজ্জাদের অনুসারী। একই বাহিনীর আরেক নিয়ন্ত্রক মোবারক হোসেন ইমন ওরফে ডেভিড ইমনকে গত ২৯ জুলাই পুলিশ গ্রেপ্তার করে।
উল্লেখ্য, গত ১৩ জুন দুপুরে চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়া উপজেলার সীমান্তবর্তী রাউজানের পাহাড়তলী ইউনিয়নের চৌমুহনী বাজারে প্রকাশ্যে গুলি করে হত্যা করা হয় রাঙ্গুনিয়া উপজেলা যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক মাসুদুল হক চৌধুরীকে (৪৫)। তিনি বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা ও রাঙ্গুনিয়ার সংসদ সদস্য হুম্মাম কাদের চৌধুরীর অনুসারী ছিলেন। এ ঘটনায় ১৫ জুন নিহতের বড় ভাই পেয়ারুল হক চৌধুরী স্বপন বাদী হয়ে রায়হান আলমসহ ১১ জনের নাম উল্লেখ এবং অজ্ঞাত আরও ৭-৮ জনকে আসামি করে মামলা দায়ের করেন।
