ইরান যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে সম্ভাব্য জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় জরুরি ভিত্তিতে এক লাখ টন ডিজেল এবং দুই কার্গো এলএনজি কেনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।
শনিবার অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে ভার্চুয়াল প্ল্যাটফর্মে অনুষ্ঠিত সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকে এ সংক্রান্ত দুটি প্রস্তাব অনুমোদন দেওয়া হয়।
বৈঠক সূত্রে জানা গেছে, এক লাখ টন ডিজেল কিনতে ব্যয় ধরা হয়েছে ৬৮৯ কোটি ২৯ লাখ ৫৪ হাজার ৯৫৬ টাকা। কাজাখস্তানভিত্তিক প্রতিষ্ঠান কাজাখ গ্যাস প্রসেসিং প্ল্যান্ট এলএলপি থেকে সরাসরি ক্রয় পদ্ধতিতে ৫০ পিপিএম সালফারমানের এই ডিজেল আমদানি করা হবে। এতে মোট ব্যয় হবে ৫ কোটি ৫৯ লাখ ৯৪ হাজার ৭৬০ মার্কিন ডলার। প্রতি ব্যারেল ডিজেলের মূল্য ধরা হয়েছে ৭৫ দশমিক শূন্য ৬ ডলার।
এছাড়া, সিঙ্গাপুরভিত্তিক আরামকো ট্রেডিং সিঙ্গাপুর প্রাইভেট লিমিটেড থেকে দুই কার্গো এলএনজি আমদানির অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। প্রতি এমএমবিটিইউ এলএনজির মূল্য ১৯ ডলারের কিছু বেশি ধরা হয়েছে। এতে মোট ব্যয় হতে পারে প্রায় ১ হাজার ৫৬০ কোটি টাকা। তবে এই মূল্য চূড়ান্ত নয়, কিছুটা কম-বেশি হতে পারে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।
বৈঠকে উপস্থিত এক সদস্য জানান, ডিজেল ও এলএনজি কেনার পৃথক দুটি প্রস্তাব অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এর মাধ্যমে দ্রুত জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশন (বিপিসি) দেশের পেট্রোলিয়ামজাত পণ্যের আমদানি, মজুত, প্রক্রিয়াকরণ ও বিতরণের দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠান। ২০১৫ সালের ২৩ ডিসেম্বর সরকারি সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, বিপিসি ৫০ শতাংশ জ্বালানি তেল সরকার-টু-সরকার (জি-টু-জি) পদ্ধতিতে এবং বাকি ৫০ শতাংশ আন্তর্জাতিক উন্মুক্ত দরপত্রের মাধ্যমে আমদানি করে আসছে।









